বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ
বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ
Sunday, 19 Jul 2026 02:01 am
বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ

বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ

যাত্রাবাড়ীতে কথিত মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন মামলার প্রধান আসামি শাহ আমানত সাবির ও মো. তাহসীন ইসলাম। আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলমের আদালতে মো. তাহসীন ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে প্রধান আসামি শাহ আমানত সাবিরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

পরে দুই আসামিকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। আরও পড়ুন এফসিএসের সাত সদস্য ৩ দিনের রিমান্ডে একই মামলায় রিমান্ড শেষে মো. হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, মো. আবিদুর রহমান ও মো. বায়োজিতকে আদালতে হাজির করা হলে তাদেরও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিন উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় গ্রেফতার সাতজনের মধ্যে দুইজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত পরে সাতজনকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ নামে একটি ব্যানারে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি বালুর মাঠে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে শাহ আমানত সাবির, মো. হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, মো. আবিদুর রহমান ও মো. বায়োজিতকে আটক করা হয়। পরে তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নেওয়া হয়। আরও পড়ুন এফসিএস সদস্য সন্দেহে গ্রেফতার তাহসীনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তীতে যশোর থেকে মো. তাহসীন ইসলাম ওরফে সুলতাকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর ১১ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত আসামির রিমান্ড আবেদন করেন। ১২ জুলাই আদালত প্রথম দফায় তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে প্রধান আসামি শাহ আমানত সাবির ও মো. হোসাইন তানিমকে আরও তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এর আগে যাত্রাবাড়ী থানার এসআই এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৬, ৭, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় ১৬ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু বলেন, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাদের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে পুলিশের অ্যান্টিটেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। এমডিএএ/এমআরএম