বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ
বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ
Thursday, 30 Jul 2026 08:02 am
বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ

বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ

ইরাকে দুই দেশের যৌথ হামলার পর আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি আলোচনায় বসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, মার্কিন এক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৯ জুলাই) তাদের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকের পর সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সফরসূচিতে ট্রাম্পের সঙ্গে এই বৈঠকটি যুক্ত করা হয়। ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনায় তিনি জানান, সৌদি আরব ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর পক্ষে অবস্থান করছে।

এর মধ্যেই চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব যৌথভাবে ইরানপন্থী ইরাকি মিলিশিয়াদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এসব বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়া। সৌদি আরব এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র। গত পাঁচ মাসে বিভিন্ন সময়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলেও, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রিয়াদ একাধিকবার ট্রাম্পের ইরান-নীতি প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে।

যুবরাজ মোহাম্মদের ভাই এবং ঘনিষ্ঠ আস্থাভাজন প্রিন্স খালিদের গত সপ্তাহে ওয়াশিংটন সফরে যাওয়ার কথা ছিল। তবে ইরাকে হামলার কারণে তিনি সেই সফর পিছিয়ে দেন। গত মঙ্গলবার সৌদি সামরিক বাহিনী এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড যৌথভাবে ইরাকে ইরানপন্থী মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে হামলা চালায়। সেন্টকম জানায়, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নির্দেশনায় পরিচালিত এবং মিলিশিয়াদের মাধ্যমে সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ৩০টিরও বেশি ড্রোন হামলার জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।

পরে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও নিশ্চিত করে যে তারা এই হামলায় অংশ নিয়েছিল এবং জানায়, এটি সেন্টকমের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়েছে। আমার বাঙলা/ রাব্বি