বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ
বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ
Tuesday, 25 Aug 2026 02:01 am
বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ

বিডি জাগরণ । প্রতিবাদের প্রথম কন্ঠ

ঢাকার সূত্রাপুরে ১৯ আগস্ট ঘটনার পর একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে দুইটি দেশীয় পাইপগান ও দুটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই আলোচিত মামলায় আইনজীবী জাকি উল্লাহ বাহারসহ মোট চারজনকে দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আশা করছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তারা উদ্ধারকৃত অস্ত্রের উৎস, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে তথ্য পাবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রিমান্ডে নেওয়া চার আসামির মধ্যে রয়েছেন ৫৮ বছরের আইনজীবী জাকি উল্লাহ বাহার, ৬২ বছরের মো. আনোয়ারুল হক, ৪৮ বছরের জাকির হোসেন এবং ৩৬ বছরের হিরু বড়ুয়া।

পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা, সূত্রাপুর থানার এসআই মো. রাসেল মোল্লা আদালতে বলেন যে, জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও জানান, মামলার নথি অনুযায়ী ওই দিন বিকেলে সূত্রাপুরের নর্থব্রুক হল রোডের নাজিম উদ্দিন বারো ভূঁইয়া মার্কেটের ভূঁইয়া মোটরসে অভিযান চালানো হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় জাকি উল্লাহ বাহারসহ ৮-৯ জন সেখানে প্রবেশ করে এবং তাদের কাছে থাকা দুটি শপিং ব্যাগ নিয়ে দ্রুত দোকানে প্রবেশ করে। পুলিশ সেই ব্যাগ দুটি তল্লাশি করে পেয়ে যায় দুইটি পাইপগান এবং দুটি ১২ বোরের তাজা কার্তুজ।

এছাড়া, পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংবলিত একটি ৬৪ জিবি পেনড্রাইভ এবং আসামিদের ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোনও জব্দ করেছে। তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, আসামিরা জড়িত সisssinizয়ারেকা হার আনোয়ারুল হকসহ নাজিম উদ্দিন বারো ভূঁইয়া মার্কেট এবং ভূঁইয়া মোটরসের মালিক হাফিজ উল্লাহ ভূঁইয়ার মালামাল আত্মসাৎ করার পরিকল্পনা করেছে।

এ ঘটনায় হাফিজ উল্লাহ ভূঁইয়াকে মিথ্যা অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে দোকানে অস্ত্র ও গুলি রাখার অভিযোগও রয়েছে। পুলিশের ভাষ্যমতে, আসামিরা একটি সাদা রঙের পাজেরো গাড়িতে করে অস্ত্র ও কার্তুজ ঘটনাস্থলে নিয়ে আসে।

পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মোল্লা বলেন, আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামীদের শনাক্ত এবং গ্রেফতার করা হবে। গত ২০ আগস্ট সূত্রাপুর থানার এসআই ওসমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।

এখন দেখার বিষয় হলো, এই মামলায় আসামীদের কাছ থেকে কি ধরনের আরও তথ্য পাওয়া যাবে এবং পুলিশের তদন্ত কত দূর এগোয়। আইনগত কারণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। রিমান্ডের পর পরবর্তী সময়ে আসামীদের আদালতে উপস্থাপন করা হবে।