সারাদেশের সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা চাকরির প্রতি আগ্রহী বেকার যুবকদের জন্য সরকারী কলেজগুলোতে নতুন গ
শিক্ষা চেঞ্জারদের প্রতিবাদ: সরকারী কলেজে গৃহকর্মী নিয়োগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি
বাংলাদেশের সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা গতকাল রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। তাদের মূল দাবি, সরকার যেন সরকারি কলেজে গৃহকর্মী নিয়োগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশের বিভিন্ন কোণার বেকার যুবকেরা চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
শিক্ষকদের মতে, সরকারি কলেজগুলোতে গৃহকর্মীদের নিয়োগের মাধ্যমে বেশ কিছু কাজ সহজতর হয়, যা পড়ালেখায় জড়িত ছাত্রদের জন্য সুবিধাজনক হতে পারে। তবে সরকার কর্তৃক নিয়োগে নিষেধাজ্ঞার ফলে ছাত্ররা যাতে কর্মজীবনে তাদের প্রথম পদক্ষেপ নিতে পারে, সে সুযোগ থেকে পিছু হটছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, এই পরিস্থিতি সরকারকে গভীরভাবে বিবেচনা করার আহ্বান জানাচ্ছে।
আমাদের দেশের যুব সম্প্রদায় বর্তমানে চাকরির অভাবে ভুগছে। প্রতিদিন হাজারো শিক্ষিত যুবক কোন কাজ পাচ্ছে না, ফলে তারা হতাশাগ্রস্ত হচ্ছেন। আর ঠিক এই অবস্থায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাদের জন্য একটি ভালো বিকল্প মনে হতে পারে। কিন্তু সরকার যদি এই সুযোগ বন্ধ করে দেয়, তাহলে তারা আরো বেশি সমস্যা ও হতাশার মুখোমুখি হবে।
বিক্ষোভের সময় বক্তারা বলেন, "আমরা আমাদের শিক্ষার পাশাপাশি জীবিকার দিক থেকেও চিন্তা করছি। গৃহকর্মী নিয়োগের সুযোগ যদি না থাকে, তাহলে আমাদের বন্ধু-বান্ধবদের বিপুল সংখ্যক কর্মহীনতা আমাদের সমাজের জন্য ক্ষতিকর।" তারা সরকারের কাছে একান্তভাবে আবেদন করেছেন যেন এই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়।
সরকারি কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের দাবি একটি নির্দিষ্ট সুচিন্তনের অংশ, যা দেখাচ্ছে তারা শুধুমাত্র শিক্ষাকেন্দ্রিক নয় বরং চাকরির ক্ষেত্রেও বেশ সচেষ্ট। তারা বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমূলক প্রশিক্ষণের উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার জন্য সরকারকে প্রচার করতেও তারা উৎসাহী।
এদিকে, আন্দোলনকারীরা শিক্ষকদেরও সমর্থন পেয়েছেন। সরকারি বা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে কাজ পাওয়ার পার্থক্য তুলে ধরে শিক্ষকেরাও এ বিষয়ে সরকারের মনোভাব পরিবর্তনের জন্য আওয়াজ তুলেছেন। প্রত্যাশিত তরুণ সমাজের জন্য সমৃদ্ধি আনার লক্ষ্যে তারা এই আন্দোলনকে সঠিক দাবি হিসেবে দেখছেন।
এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম নিবেদিতভাবে তাদের অধিকারের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। কার্যকরী সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য এই আন্দোলন একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হতে পারে। সরকার যদি তাদের দাবিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়, তবে এটি যুব সমাজের বিবেকের বর্তমান সংকট দূর করতে সহায়ক হবে।
পরিশেষে, ছাত্রীদের আন্দোলন থেকে আমাদের প্রাপ্ত শিক্ষা হলো, তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করছে এবং সমাজের উন্নয়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা সরকারের প্রতি যথাযথ দাবি জানাচ্ছে। তারা বিশ্বাস করে, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান একে অপরের পরিপূরক। সরকারের উচিত এই বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/16375





