প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন তারেক রহমান। তার এই
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে যা বললেন আসিফ আকবর
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন তারেক রহমান। তার এই সফর ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা চলছে। এবার এ বিষয়ে নিজের প্রত্যাশা ও মতামত জানিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। আজ (২১ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফর নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই গায়ক।
স্ট্যাটাসে আসিফ আকবর লেখেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করে আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং স্বাধীনচেতা জনগণ এ লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। চীনের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ লেখেন, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ২০০২ সালে প্রথমবার চীন সফর করেন খালেদা জিয়া। পরে ২০০৫ সালে আবারও দেশটি সফর করেন তিনি।
সে সময় ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় পূর্বমুখী পররাষ্ট্রনীতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন এই শিল্পী। এছাড়া ২০১০ সালে বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবেও খালেদা জিয়ার চীন সফরের কথা স্মরণ করেন তিনি। চীনকে বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে আসিফ আকবর লেখেন, ‘বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের অন্যতম শক্তিশালী অংশীদার চীন, সেটি প্রমাণিত।’ তারেক রহমানের সফর নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, ‘দেশের মানুষ চীন সফরের সাফল্য দেখার জন্য অপেক্ষার প্রহরের কাউন্টডাউন শুরু করেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই চীন সফরে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের অনেক প্রশ্নের উত্তর বেরিয়ে আসবে।’ সফরসঙ্গীদের তালিকা নিয়েও মন্তব্য করেন আসিফ।
তার ভাষায়, ‘সবচেয়ে ভালো লেগেছে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের কার্যকরী এবং সংক্ষিপ্ত তালিকা দেখে।’ একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং তারেক রহমানের চীন সফরের সফলতা কামনা করেন এই জনপ্রিয় গায়ক। উল্লেখ্য, শনিবার (২১ জুন) এক দিনের সফরে মালয়েশিয়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়া সফর শেষে ২২ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত চীনে অবস্থান করবেন তিনি। দুই দেশ মিলিয়ে ছয় দিনের সফর শেষে দেশে ফেরার কথা রয়েছে তার।
আরও পড়ুন:সাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের জয় দুই দিনব্যাপী সংগীত উৎসবে মাতবে শিল্পকলা পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আল সিয়াম জানিয়েছেন, সফরসঙ্গী হিসেবে মালয়েশিয়ায় ২৭ জন এবং চীনে ২৮ জন থাকবেন। সফরসঙ্গীর সংখ্যা যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তারেক রহমানের এই সফরকে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সফর হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।
এমএমএফ





