ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ক্যামেরার নজরদারিতে ‌‘অটো ফাইন সিস্টেমে’ ট্রাফিক আই

সচেতন হচ্ছেন চালকরা, দ্বিতীয় দিনে মামলা মাত্র ৪৩

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ক্যামেরার নজরদারিতে ‌‘অটো ফাইন সিস্টেমে’ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে দুদিনে ৪৭২টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় জরিমানা আদায় করা হয়েছে ১৬ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। ট্রাফক পুলিশের তথ্যমতে, ‘অটো ফাইন সিস্টেম’ চালুর প্রথম দিনে সাত ঘণ্টায় ৪২৯টি মামলা হলেও দ্বিতীয় দিন বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মামলা হয়েছে মাত্র ৪৩টি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত এআই ক্যামেরায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা শনাক্ত করে এসব মামলা করা হয়।

হাইওয়ের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আরও পড়ুন ৭ ঘণ্টায় ৪২৯ মামলা / এআই ক্যামেরায় একের পর এক ধরা পড়ছে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের চিত্র   হাইওয়ে পুলিশ সূত্রমতে, নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এআই ক্যামেরার নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে এক হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা। এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে পারে।

অতিরিক্ত গতি, নির্ধারিত লেন না মানা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, উল্টো পথে চলাচল ও অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে পাঠানো হচ্ছে মামলা সংক্রান্ত বার্তা। চালু হওয়ার দুদিনে এই ক্যামেরার মাধ্যমে মোট ৪৭২টি মামলা করা হয়েছে। এরমধ্যে প্রথম দিনে হয়েছে ৪২৯টি এবং দ্বিতীয় দিনে হয়েছে ৪৩টি মামলা।

এসব মামলায় জরিমানা করা হয়েছে ১৬ লাখ ২৮ হাজার ৫০০ টাকা। এ বিষয়ে হাইওয়ের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, চালকরা ট্রাফিক আইন মেনে চলতে শুরু করেছেন। প্রথম দিনে সাত ঘণ্টায় ৪২৯টি মামলা হলেও আজ দ্বিতীয় দিন বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মামলা হয়েছে মাত্র ৪৩টি। আমরা আশা করছি, এই সিস্টেমের মাধ্যমে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ও দুর্ঘটনার হার কমবে।

জাহিদ পাটোয়ারী/এসআর


Comment As:

Comment (0)