আগামী ২৫ থেকে ২৭ জানুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত রাজধানীর গুলশানের একটিConvention Center-এ আন্তর্জাতিক কৃষি মে
দেশে তিন দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক কৃষি মেলা শুরু হচ্ছে
আগামী ২৫ থেকে ২৭ জানুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত রাজধানীর গুলশানের একটি Convention Center-এ আন্তর্জাতিক কৃষি মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ মেলার আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষি সেক্টরের আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা এবং প্রদর্শনী। প্রতিবছর এই মেলা কৃষি খাতের উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে নিবেদিত অনেকগুলো উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজ করে আসছে।
মেলার আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের আন্তর্জাতিক কৃষি মেলায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মোট ৫০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। এতে কৃষি উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের নতুন প্রযুক্তি, বীজ, সার, কৃষিযন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য সকল ধরনের কৃষি উপকরণ প্রদর্শিত হবে। আন্তর্জাতিক কৃষি মেলায় কৃষকদের জন্য কৃষি কার্যক্রমে নতুনত্ব এবং উন্নতির পথ তৈরি হবে, যেখানে তারা সরাসরি উদ্ভাবকদের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কৃষি বিশেষজ্ঞদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তারা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং ব্যবস্থাপনার উপর আলোচনা করবেন। মেলার কার্যক্রমে মূলত দেশের কৃষকদের জন্য বিভিন্ন কর্মশালা এবং সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মশালায় বিকল্প কৃষির পদ্ধতি, জৈব কৃষির গুরুত্ব এবং সঠিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
দেশের কৃষি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে এবং কৃষি উন্নয়নে গবেষণা ও উদ্ভাবনের হার বাড়াতে এই মেলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের মেলা কৃষকদের নতুন ধারণা গ্রহণ করতে উৎসাহিত করে এবং তাদের মধ্যকার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।
এ ছাড়া, মেলায় কৃষকদের জন্য বিভিন্ন অফার ও ডিসকাউন্ট সুবিধা রাখা হবে। এতে করে তাঁরা তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয় করতে পারবেন, যা তাদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পুঁজি হিসেবে কাজ করবে। দেশের কৃষি খাতকে আরও গতিশীল করতে এবং কৃষকদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে এই মেলা অন্তর্দৃষ্টি দেবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
মেলায় প্রবেশের সুবিধার্থে বিশেষ টিকেট ব্যবস্থা থাকবে। শুধুমাত্র কৃষি পণ্য ক্রয় করতে ইচ্ছুক কৃষক ও দর্শকদের জন্য প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মেলার প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশে বিশেষ ছাড় থাকবে, যা এই খাতে আগ্রহীদের উত্সাহিত করতে সাহায্য করবে।
বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই আন্তর্জাতিক কৃষি মেলার মাধ্যমে কৃষি খাতে একটি নতুন উদ্যমের সূত্রপাত হবে, যা দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশি কৃষি পণ্যের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। তাই, দেশের কৃষকদের এই সুযোগ গ্রহণের জন্য মেলায় উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।





