ঢাকার আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ (রোববার) বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।
ঢাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার ঢাকা ও আশপাশের এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকার কথা। এর ফলে রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে হালকা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সূচনা হতে পারে। বিশেষ বিশেষ স্থানগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে নগরবাসীকে সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
আজ সকালে ঢাকার তাপমাত্রা ২৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। গতকাল ঢাকা শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজ সকালের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, আজ দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হবে। ঢাকার জলবায়ু পরিস্থিতি বর্তমানে কিছুটা তাপমাত্রার কারণে মারাত্মক আর্দ্রতা অনুভূত হচ্ছে, যা সব শ্রেণীর মানুষকে বিরক্ত করছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনগুলোর প্রভাব নগর জীবনযাত্রার উপর পড়তে পারে। যেহেতু বর্ষাকাল চলছে, তাই কদিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে।
আজ সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে। এই সময়ের মধ্যে আবহাওয়ার অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে যাতে করে তারা অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত থাকেন।
এখন থেকে আগত দিনগুলোতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এরূপ আবহাওয়ার ভবিষ্যৎ পূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে জনসাধারণকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে যারা বাইরে যাতায়াত করেন তাদের জন্য সতর্ক থাকাও জরুরি।
এই আবহাওয়া পরিস্থিতি যতটুকু অস্বস্তিকর, ততকী জনজীবনে তার প্রভাব স্পষ্ট। স্কুল, কলেজ এবং অফিস যাতায়াতে বাধা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রয়েছে, এমনকি যদি বৃষ্টি হয় তাহলে মানুষকে আসতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সময় দিতে হতে পারে। এছাড়াও, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে কিছু এলাকায়, যা নগর জীবনকে আরও জটিলতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।
তাহলে সবার জন্য আবেদন, আবহাওয়ার পরিবর্তন সত্ত্বেও জীবনযাত্রা যেন স্বাভাবিক থাকে সেই চেষ্টা করতে হবে। জনগণের সচেতনতা এবং সতর্কতা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।





